2025
0%
ইসলাম সকল ক্ষেত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে বিয়ের বিধানাবলিকে সুষম, সাবলীল, সহজ ও সুন্দর করেছে। কিন্তু বর্তমান মুসলিম সমাজে অন্যান্য বিষয়ের মতো পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে নির্বাচন করার ক্ষেত্রেও সীমালঙ্ঘন করে চলছে। একদিকে সাধারণ মানুষ পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে শরীয়তের কোনো সীমারেখাই রক্ষা করছে না। ফলে ইসলামের এ সুন্দর বিধানটির সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে। অন্য দিকে কিছুসংখ্যক দীনদার ব্যক্তি পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে দেখার সুযোগ দেওয়াকেও শরীয়ত পরিপন্থি মনে করছেন। ফলে সহজ ও সুন্দর বিধানটি রুপান্তরিত হচ্ছে কঠিন ও জটিল বিধানে, যা তাদেরকে এ-বিধানের অন্তর্নিহিত কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করছে।
প্রথম পক্ষ যা করছেন, শরীয়তের দৃষ্টিকোণে তা যে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বস্তুত তারা নামে মুসলমান হলেও তাদের অন্তরে ঈমান কতটুকু আছে, আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।
তবে দ্বিতীয় পক্ষ যে মত পোষণ করেন, সে ব্যাপারে শরীয়তের দিক-নির্দেশনা ও বক্তব্য কী? তারা যা করছেন, তা-ই কি শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি? না উভয় পক্ষের মাঝামাঝি শরীয়তে কোনো মধ্যপন্থা বিদ্যমান রয়েছে তা জানাই আমাদের এ আলোচনার মুখ্য উদ্দেশ্য।
আমরা ৫০০৳ বা তার বেশি মূল্যের সকল অর্ডারে ফ্রি স্ট্যান্ডার্ড ডেলিভারি অফার করি। স্ট্যান্ডার্ড ডেলিভারি সাধারণত ৩-৫ কর্মদিবস সময় নেয়।
আপনি ডেলিভারির ৭ দিনের মধ্যে যেকোনো নতুন, আনঅপened বই ফেরত দিতে পারেন। বইটি যদি ক্ষতিগ্রস্ত বা ভুল বই হয়ে থাকে, আমরা সম্পূর্ণ রিফান্ড দেব এবং রিটার্ন শিপিং খরচ বহন করব।